Skip to main content

বয়ঃসন্ধিকাল কাকে বলে ?


বয়ঃসন্ধিকাল হল শৈশব থেকে যৌবনে পদার্পণ করার মধ্যবর্তী  সময় । এ সময়কিশোর-কিশোরীদের বিভিন্ন রকম শারীরিক ও মানসিক  পরিবর্তন ঘটে । আকস্মিক হরমোনের পরিবর্তনের কারণে মানসিক আবেগের তীব্রতার উত্থান পতন ঘটে থাকে,  যা ইংরেজিতে Adolecence নামে পরিচিত ।
১০ থেকে ১৯ বছরের কিশোর-কিশোরীদের বয়ঃসন্ধি বা টিনএজার বলা হয় ।
বয়ঃসন্ধিকালের পূর্বে নিষ্ক্রিয় থাকা হাইপোথ্যালামাস এ সময় হঠাৎ করে সক্রিয় হয়ে ওঠে| সাধারণত ডোপামিন, গ্লুটামেট ও সেরেটোনিন নামক নিউরোট্রান্সমিটার হরমোন এ আবেগীয় পরিবর্তনে প্রধান ভূমিকা রাখে এবং পিটুইটারি গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত টেস্টোস্টেরন ও ইস্ট্রোজেন হরমোন এবং গ্রোথ হরমোন কৈশোরকালীন শারীরিক বিকাশ ও যৌন আচরণকে সক্রিয়করণে কাজ করে| ভৌগলিক অবস্থান ভেদে কৈশোরের ব্যাপ্তির তারতম্য দেখা যায় ।

Comments

Popular posts from this blog

বয়ঃসন্ধিকালে মেয়েদের সাধারণ সমস্যা ও সমাধানঃ

বয়ঃসন্ধিকালে মেয়েদের সাধারণ সমস্যা ও সমাধানঃ  বয়ঃসন্ধিকাল জীবনের  একটি সেরা সময় ! এই বয়স অনেক আনন্দের, উৎসাহের , মজার এবং উত্তেজনার।  কিশোর-কিশোরীদের নতুন কিছু আবিষ্কার করার সময় ।  বয়ঃসন্ধিকাল চ্যালেঞ্জের সময়, বিভ্রান্তিতে ভরা, মেয়েদের জন্য লুকিয়ে থাকে হাজারো রহস্য  । মেয়েদের বেশিরভাগ সাধারণ সমস্যা হচ্ছে তাদের চেহারা, শিক্ষা, ডেটিং, বন্ধুত্ব, আত্মসম্মান, সমকক্ষ চাপ, মাদক সেবন, ঋতুবর্তী হওয়া বিষণ্নতা এবং  ইভটিজিংয়ের শিকার হওয়া । চেহারা: প্রত্যেক মেয়ের সমস্যা তালিকাতে নম্বর এক সমস্যা হিসাবে বিবেচিত । বয়ঃসন্ধিকোলে শরীরের ক্রমাগত পরিবর্তন হয় ।  মুকে, বুকেএবং শরীরের ‍অন্যান্য  অংশে মাংসপিন্ড বেড়ে যায় । ফলে মেয়েরা মানসিক অসস্তিতে ভোগে। তাদের ঘন ঘন ওড়না ঠিক করতে দেখা যায় । সমাধান: মেয়েদের খুব ঘনিষ্ঠভাবে সঙ্গ দিতে হবে ।একজন মা তার মেয়ের আদর্শ বন্ধু হতে পারেন। বয়ঃসন্তিকালের স্বাভাবিক পরিবর্তন তাকে বোঝাতে হবে। তাকে মানসিকভাবে দৃঢ় থাকতে সাহায্য করতে হবে। শিক্ষা:  কিশোরীরা উচ্চশিক্ষার মাধ্যমে তার দক্ষতাকে প্রমাণ করতে সক্ষম হয়, পরীক্ষা...

বয়ঃসন্ধিকালে মানসিক সমস্যা ও সমাধানঃ

বয়ঃসন্ধিকালে মানসিক সমস্যা ও সমাধানঃ বয়ঃসন্ধিকাল শারীরিক এবং মানসিক পরিবর্তনের সময়।  এটি একটি ফুলানো বেলু নের মতো । এই বয়সে অনেক উত্থান-পতন হয় ।  এই সময় কিশোর-কিশোরীদের উপর চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেয় । সমস্যাগুলি এমন যা কিশোর-কিশোরীরা  উপেক্ষা করতে পারে না ।   তাদের  মন মুহুর্তে ভালো থাকে আবার মুহূর্তে  বিষণ্ণতা অনুভব করে। ঘন ঘন তাদের মনের রঙ বদলাতে থাকে। কিভাবে বুঝবেন মানসিক সমস্যায় ভুগছে?  কিশোররা  কখনোই  উত্তর দেবে না, কাঁদতে থাকে,  কোন কাজে খুব দেরি করে  ফেলে বয়ঃসন্ধিকালের সাধারণ সমস্যাগুলি এবং সমাধান 1. বিষণ্নতা ডিপ্রেশন হলে বেশিরভাগ মানসিক স্বাস্থ্যের সমস্যায় কিশোরীদের মুখোমুখি হতে হয় যা মাঝে মাঝে আত্মহত্যা করতে  পারে। কিশোররা বিষণ্ণতা এবং বিষণ্নতার মধ্যে পার্থক্য করতে পারে না। অনেক কারণ বিষণ্নতা হতে পারে এবং  প্রতিটি কিশোর প্রতিক্রিয়া এই ধরনের থেকে ভিন্ন। বয়ঃসন্ধিকালের  প্রধান বিষণ্নতার লক্ষণ কিশোর ঘুম সমস্যা আচরণগত পরিবর্তন শারীরিক নিরাপত্তা সম্পর্কে অচেতন বিষণ্ণ মানসিক স্বাস্থ্য  স্বা...

বয়ঃসন্ধিকালে কিশোর অপরাধ কী ও তার কারণঃ

 বয়ঃসন্ধিকালে কিশোর অপরাধ কী ও তার কারণঃ আজকের পরিবর্তন ও অস্থিতিশীল সমাজে কিশোর অপরাধের প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে। সাধারণত ১৬ বছরের কম ছেলে মেয়েরা আইন বিরোধী কার্যকলাপে লিপ্ত হয়।  এদেরকে আইনের ভাষায় কিশোর অপরাধ বলে। যদিও বেশির ভাগ কিশোর অপরাধ ১৮/১৯-২১/২২ বছর পর্যন্ত চলে, তবুও ১০/১১ বছর বয়স হতেই এই অপরাধ প্রবণতা শুরু হয়। এই জাতীয় অপরাধ সামাজিক , মানসিক এবং নৈতিক বিকাশের পরাজয়। কিশোর অপরাধ ছেলেদের মধ্যে বেশি দেখা যায়। সামাজিক কারণে মেয়েরা দলবদ্ধ হতে পারে না এবং সাহসের অভাবে তাদের মধ্যে আগ্রাসন ভাব জন্মাতে পারে না। তবে তাদের মধ্যে ঘর-বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যাওয়া, অথবা অসামাজিক কার্যকলাপে লিপ্ত হওয়া বেশি হতে দেখা গেছে। ছেলেদের মধ্যে মারামারি, চুরি, ভাঙচুর করা প্রভৃতি কার্যকলাপ বেশি হয় । সাধারণভাবে শহরের বস্তি এলাকাতে এবং ঘনবসতি পূর্ণ পরিবেশে, সংঘবদ্ধ কিশোর অপরাধ বেশি হয়। সিনেমা হলের পাশে বা বাজার, রেলস্টেশনের পাশে অবস্থিত এলাকায় অপরাধ বেশি হয় সঙ্গদোষ এবং দলের প্রভাবেও অনেক ছেলে কিশোর অপরাধে অনুপ্রাণিত হয়। গ্রাম্য পরিবেশে কিশোর অপরাধের প্রকোপ কম হয়। পরিবারের ভাঙ্গন, অর্থনৈতিক সমস্যা দা...